ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় নবগঠিত উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে কসবা পৌর সুপার মার্কেটসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাদের কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নবগঠিত কমিটির সমর্থক নেতাকর্মীরা আনন্দ মিছিল নিয়ে ওই এলাকায় আসেন। এ সময় কমিটির বিরোধিতাকারী অপর পক্ষের নেতাকর্মীরা মিছিলে বাধা দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় রূপ নেয়। এতে দুই পক্ষের পাঁচজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন মো. হোসেন (৪০), কসবা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শহিদুল খাঁ (৩০), মো. জুয়েল (৩০), রাব্বি (২৫) ও রাসেদুল ইসলাম রাসেল। তাদের কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বাজারের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ১ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদল কসবা উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের ১৩ সদস্যবিশিষ্ট দুটি আংশিক কমিটি ঘোষণা করে। এতে সিরাজুল ইসলাম ইমুকে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি, শিমুল মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক এবং সাদ্দাম খন্দকারকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। অন্যদিকে পৌর ছাত্রদলের সভাপতি করা হয় এনামুল হক আপেলকে, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদকে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয় জান্নাতুল বাকি হৃদয়কে।
কমিটি ঘোষণার পর থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিলেন সংগঠনটির একাংশের নেতাকর্মীরা। এর প্রতিবাদে গত ২ নভেম্বর কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন তারা।
প্রতিনিধি/এসএস




