ঠাকুরগাঁওয়ে স্ত্রীর অজান্তে ধারণ করা অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মো. পারভেজ ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তার এক বন্ধুকেও আসামি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) গ্রেফতার পারভেজ ইসলামকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে সোমবার (২ নভেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী নারী ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা করেন। মামলার অপর আসামি হাফিজউদ্দীন বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর পারভেজ ইসলামের সঙ্গে ওই নারীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। নির্যাতন ও ভরণপোষণ না দেওয়ার অভিযোগে প্রায় নয় মাস আগে স্বামীর বাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়িতে চলে যান স্ত্রী।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বিয়ের পর স্ত্রীর অজান্তে তার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সংরক্ষণ করেন পারভেজ। পরবর্তী সময়ে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন তিনি। এতে রাজি না হওয়ায় ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে পারভেজ তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু হাফিজউদ্দীনের কাছে ওই ছবি ও ভিডিও পাঠান। পরে দুজনের যোগসাজশে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে সেগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এমনকি হাফিজউদ্দীনকে বিয়ে করার জন্যও ওই নারীর ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আলী জানান, মামলার প্রধান আসামি পারভেজ ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
প্রতিনিধি/এলএ




