গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে জানাজা শেষে বাড়ি ফেরার পথে আব্দুল মতিন নামে এক ব্যক্তির ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় স্বামীকে রক্ষা করতে গিয়ে হামলার শিকার হন তার স্ত্রী আলো বেগমও। এ ঘটনায় আহত নারী আলো বেগম হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে তিনি সাদুল্লাপুর থানায় লিখিত এজাহার দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সাদুল্লাপুর থানা থেকে এজাহারের বিষয়টি জানা গেছে।
অভিযোগকারী আলো বেগম উপজেলার কিশামত বাগচী গ্রামের বাসিন্দা। এজাহারে তিনি একই গ্রামের হৃদয় শেখ, মোতালেব শেখ, রনি শেখ ও রশিদা বেগমসহ কয়েকজনকে অভিযুক্ত করেছেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত রোববার ১ নভেম্বর সকাল ১০টার দিকে প্রতিবেশীর জানাজা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আলো বেগমের স্বামী আব্দুল মতিন। এ সময় কিশামত বাগচী মৌজার একটি স্থানে ওঁৎ পেতে থাকা অভিযুক্তরা পূর্ববিরোধের জেরে তার ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাকে ধারালো অস্ত্র, লাঠি ও অন্যান্য জিনিস দিয়ে মারধর করা হয়।
স্বামীকে রক্ষা করতে আলো বেগম এগিয়ে গেলে অভিযুক্তরা তার ওপরও হামলা চালান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। একপর্যায়ে তাকে মাটিতে ফেলে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এজাহারে আরও বলা হয়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্তরা সেখান থেকে চলে যান। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহত দম্পতিকে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে আলো বেগমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অভিযোগকারী আলো বেগম বলেন, থানায় এজাহার করার পর থেকে অভিযুক্তরা তাদের ও পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বলেন, অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে। সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিনিধি/এলএ




