ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় বিক্ষোভ চলাকালে শ্রমিকদের ছোড়া ইটের আঘাতে নুরুজ্জামান সামি নামে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার পর বাসায় নেওয়া হয়েছে। তবে বিভিন্ন সামাজিকমাধ্যমে শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়ালেও বিষয়টি গুজব বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে স্কুল ছুটির পর বাসায় ফেরার পথে আন্দোলনকারীদের ইট-পাটকেলের আঘাতে ওই ছাত্রের মাথা ফেটে যায়। পরে তাকে দ্রুত সাভারের নাসির উদ্দিন মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার মাথায় তিনটি সেলাই দিতে হয়েছে।
আহত নুরুজ্জামান সামি বিকেএসপি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাড়ির গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১নং ওয়ার্ডের পাইনশাইল এলাকায়।
স্কুলছাত্র আহত হওয়ার পর তার আইডি কার্ড ও স্কুলের ইউনিফর্মের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তার মৃত্যু হয়েছে দাবি করে গুজব ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে বিকেএসপি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক স্বপন কুমার সাংবাদিকদের জানান, বেলা ১১টার দিকে স্কুল ছুটি হলে বাসায় ফেরার পথে আন্দোলনকারীদের ইট-পাটকেলের আঘাতে সামির মাথা ফেটে যায়। পরে তাকে নাসির উদ্দিন মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা শেষে পরিবারের জিম্মায় বাসায় পাঠানো হয়েছে।
আহত শিক্ষার্থীর বাবা ইউসুফ রানা বলেন, আন্দোলন চলাকালে ইটের আঘাতে তার ছেলের মাথা ফেটে যায়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তার মাথায় তিনটি সেলাই করে প্রয়োজনীয় ওষুধ দেন। বর্তমানে বাসায় সে সুস্থ আছে। তবে তার গায়ে বা শরীরে কোনো গুলির আঘাত বা গুলির কোনো ঘটনা ঘটেনি।
তিনি আরও বলেন, সকালে যথাসময়ে স্কুলে যায় তার ছেলে সামি। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্কুল ছুটি হয়, শ্রমিক অসন্তোষের কারণে তাদের স্কুলের ভেতর আটকে রাখা হয়েছিল। চাচা রফিকুল ইসলাম সামিকে সঙ্গে নিয়ে স্কুল থেকে বেরিয়ে শ্রমিকদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন। এসময় শ্রমিকদের ছোড়া ইটের আঘাতে তার ছেলে নুরুজ্জামান সামি মাথায় গুরুতর আঘাত পায়।
প্রতিনিধি/এলএ




