ঢাকার দোহার উপজেলার পশ্চিম ধোয়াইর এলাকার বাসিন্দা শেখ আওয়াল (৫০)। তিনি মৃত শেখ সোহবার হোসেনের ছেলে। পেশায় রিকশাচালক আওয়াল রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু সাত মাস আগে পেটে অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার পিত্তথলিতে পাথর ধরা পড়ে। চিকিৎসক অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিলেও আর্থিক অনটনের কারণে এখনো চিকিৎসা করাতে পারেনি পরিবার। বর্তমানে বিছানায় কাতরাচ্ছেন তিনি।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার পশ্চিম ধোয়াইর সড়কের পাশে একটি ছোট ঘরে স্ত্রী ও ছয় সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন আওয়াল। তার চার ছেলে ও দুই মেয়ের সবাই নাবালক। সাত মাস ধরে আওয়ালের আয়-রোজগার বন্ধ থাকায় পরিবারটি চরম দুর্ভোগে পড়েছে। প্রতিদিন প্রায় ২০০ টাকার ওষুধ প্রয়োজন হলেও তা কেনার সামর্থ্য নেই তাদের।
আওয়ালের স্ত্রী রত্না জানান, স্বামীর পিত্তথলির পাথর অপারেশনের জন্য চিকিৎসক ৩০ হাজার টাকা খরচের কথা জানিয়েছেন। কিন্তু সেই টাকা জোগাড় করা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। ওষুধপত্র কেনার জন্যও অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন। হাতে নগদ টাকা না থাকায় স্বামীর চিকিৎসা করাতে পারছেন না।
স্বামীর চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, ‘গত সাত মাস ধরে কীভাবে দিন পার করছি, আল্লাহই ভালো জানেন। প্রতিদিন খাবারের জোগান দিতে বিভিন্ন মানুষের কাছে ধরনা দিতে হয়।’
স্বামীর চিকিৎসা ও পরিবারের দুর্দশা থেকে মুক্তির জন্য দেশবাসীর কাছে আর্থিক সহযোগিতা কামনা করেছেন রত্না। সাহায্য পাঠানোর জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে একটি বিকাশ নম্বর দেওয়া হয়েছে: ০১৮৫৯ ১৭৬৯৩৪।
প্রতিনিধি/এসএস




