ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চলছে ভোটগ্রহণ। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। দিনের শুরুতে বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিতি কিছুটা বাড়তে থাকে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ আসনে ৩০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম।
আসনটির সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী এলাকার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছেন। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এ আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে, ১১ দলীয় জোটের জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মো. আব্দুল আলিম নিজামী বটগাছ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. খাদেমুল ইসলাম হাতপাখা এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হোসাইন মোহাম্মদ ওমর ফারুক ডাক প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন।
ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পেরে তারা সন্তুষ্ট। কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তারাও ভোটারদের অংশগ্রহণের কথা জানিয়েছে।।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য আসনটিতে ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন জানিয়েছেন, নির্বাচনে কারচুপি বা প্রভাব বিস্তারের কোনো সুযোগ নেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও স্বাভাবিক রয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল হক জানান, উপনির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ছোটখাটো কয়েকটি ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবেই ভোটগ্রহণ চলছে। নির্বাচন নিয়ে বড় ধরনের কোনো শঙ্কা নেই বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে প্রত্যাশা তার।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে রয়েছেন ৫ হাজার ৩০০ সদস্য। দায়িত্ব পালন করছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরাও। ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে জন্য নেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা।
প্রতিনিধি/এসএস




