যশোর সরকারের কাছে উত্থাপিত সাত দফা দাবি বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনস্বার্থে এসব দাবি এক দফায় রূপ নিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মোবারক হোসেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় প্রেসক্লাব যশোরে ৩১ অক্টোবরের ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করার লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্য, যশোর জেলা আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
মোবারক হোসেন বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের সাত দফা দাবি মানুষের চাহিদা ও জনদুর্ভোগের ভিত্তিতে উত্থাপন করা হয়েছে। তারা সরকারকে কাজ করার সুযোগ দিতে চান, সরকারের কাজে বাধা সৃষ্টি করতে চান না। বরং জনস্বার্থে সহযোগিতা করতে চান। তবে সরকারের আট মাসে যে পরিমাণ কাজ করার কথা ছিল, তার যথেষ্ট অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জ্বালানি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ নিয়ে মানুষের দুর্ভোগ রয়েছে। বিরোধী দল হিসেবে এসব সংকটের বিষয়ে তারা সোচ্চার থাকবেন। সরকার সাত দফা দাবি যথাযথভাবে বিবেচনা না করলে ভবিষ্যতে তা এক দফায় রূপ নিতে পারে। তবে বিষয়টি ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি ও জনস্বার্থের ওপর নির্ভর করবে।
৩১ অক্টোবর লংমার্চের প্রস্তুতি সম্পর্কে মোবারক হোসেন জানান, ওই দিন সকাল ৭টায় ঢাকায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাগেরহাটের কাটাখালী মোড়, খুলনার বাবরি চত্বর ও ফুলতলা এবং যশোরের মুড়লিমোড়ে কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ায় বড় সমাবেশের প্রস্তুতি চলছে।
তিনি বলেন, লংমার্চের সাফল্য নির্ধারণে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। যশোরের বিভিন্ন সড়কের দুই পাশে বিপুলসংখ্যক মানুষ লংমার্চকে স্বাগত জানাবেন বলে তারা আশা করছেন। এ সময় যশোরে ঐতিহাসিক জনসমাগম হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
লংমার্চে শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমের গাড়ি সহজে শনাক্ত করতে বিশেষ স্টিকার ব্যবহারের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। এতে সাংবাদিকদের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত সহজ হবে এবং বহরের শৃঙ্খলা বজায় থাকবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল। এ সময় এনসিপির যশোর জেলা আহ্বায়ক নুরুজ্জামানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধি/ এজে




