রোববার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

টঙ্গীতে মাদরাসাছাত্রী নিপীড়ন

প্রাথমিক সত্যতার দাবি পুলিশের, মারধর-ভাঙচুরে কর্তৃপক্ষের মামলা

ঢাকা মেইল ডেস্ক, গাজীপুর
প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৮ পিএম

শেয়ার করুন:

প্রাথমিক সত্যতার দাবি পুলিশের, মারধর-ভাঙচুরে কর্তৃপক্ষের মামলা

গাজীপুরের টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকায় আলোচিত মাদরাসায় ৭ বছরের এক শিশুকে নিপীড়নের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। এ ছাড়া ভুক্তভোগী শিশুটি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে বলেও জানান টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান।

তিনি বলেন, গত ২২ অক্টোবর নিপীড়নের শিকার শিশুটি ঘটনার ব্যাপারে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। এছাড়া পুলিশের তদন্তে নিপীড়নের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।

এদিকে, মাদরাসার ভেতরে নিজের কন্যা সন্তানের নিপীড়নের ঘটনায় বাবা মামলা করেছেন। এছাড়া মাদরাসা ভাঙচুর ও শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় মাদরাসা কর্তৃপক্ষ আলাদা দুটি মামলা করেন।

মাদরাসা শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় নিজের অবস্থান তুলে ধরেন শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি। গতকাল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ৩টার দিকে গণমাধ্যমকর্মীদের নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

নিজের বিরুদ্ধে মাদরাসায় ভাঙচুর ও ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ অস্বীকার করে সংবাদ সম্মেলনে রুমি বলেন, ‘আমি কোথায় ১৭ লাখ টাকা নিয়ে গেছি, সেটি সিসিটিভি ফুটেজ দেখে যাচাই করা হোক। মাদরাসায় এত টাকা কীভাবে রাখা হয়, সেই বিষয়টিও পরিষ্কার হওয়া দরকার। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত হোক।’

শাহজালাল রুমি আরও বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে আমি তিন দিন আগেই অধ্যক্ষকে অভিযোগ জানিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি বারবার বলেছেন, তিনি কিছু জানেন না। আমি তার কক্ষের বাইরে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেছি। পরে তার সঙ্গে কথা বলতে গেলে এমন আচরণ করেছেন, যেন তিনি আমার সঙ্গে দেখা করতেই চান না।’

তিনি বলেন, ‘আমি আমার সন্তানের বিচার চাইতে মাদরাসায় গিয়েছিলাম, মব সৃষ্টি করতে নয়। আমি তো একজন বাবা হিসেবে আমার সন্তানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার চাইতে গিয়েছিলাম।’

প্রতিনিধি/এলএ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর