বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

রংপুরে বিড়ির বাজার নিয়ে বিরোধ, বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর, আহত ৩

জেলা প্রতিনিধি, রংপুর
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম

শেয়ার করুন:

রংপুরে বিড়ির বাজার নিয়ে বিরোধ, বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর, আহত ৩

বিড়ির বাজার নিয়ে বিরোধের জেরে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মীর কাসেম মিঠুসহ তিনজন আহত হয়েছেন।

বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার কামদেব শেখপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় কার্যালয়ের চেয়ার, ব্যানার এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর করা হয় বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আফিজ, আকিব ও নিবিড় ব্র্যান্ডের বিড়ির স্বত্বাধিকারী মীর কাসেম মিঠুর সঙ্গে ফ্রেশ বিড়ির স্বত্বাধিকারী রমজান আলী জিকুর বিড়ির বাজার নিয়ে আগে থেকেই বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলাকালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এতে মীর কাসেম মিঠু, ছোট আসাদ ও তৌফিক হোসেন বাবলু আহত হন।

মীর কাসেম মিঠুর দাবি, মর্ণেয়া ইউনিয়নে মাদকবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে মাদক কারবারিদের তৎপরতা বন্ধ করে দেওয়ায় তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

অন্যদিকে, রমজান আলী জিকু বলেন, বিড়ির বাজার নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে। তার দাবি, দলীয় কার্যালয়ে তার ছেলেরাই হামলা চালিয়েছে। এর আগেও বিড়ির বাজার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন

মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির পদ থেকে শ্যামলী সূত্রধরকে অব্যাহতি

এ ঘটনার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১১টার দিকে মর্ণেয়া ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয় প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকার, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী, মর্ণেয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাবুদ এবং জাতীয়তাবাদী প্রচার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা রুহুল আমীনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও মীর কাসেম মিঠুর ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকার।

এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সবুর বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিনিধি/এসএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর