বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

শিক্ষার্থীদের গরমে কষ্ট, ১০ ফ্যান উপহার দিলেন ইউএনও

জেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম

শেয়ার করুন:

শিক্ষার্থীদের গরমে কষ্ট, ১০ ফ্যান উপহার দিলেন ইউএনও
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার চর সোনারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফ্যান উপহার দিচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জামাল হোসেন। ছবি: ঢাকা মেইল

তীব্র গরমে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করতে গিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি পোহাচ্ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার চর সোনারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। অবশেষে তাদের সেই কষ্ট লাঘবে এগিয়ে এলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জামাল হোসেন। তার উদ্যোগে বিদ্যালয়ে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে ১০টি সিলিং ফ্যান। 

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নিজেই ফ্যানগুলো তুলে দেন ইউএনও জামাল হোসেন। এতে বিদ্যালয়ের ১৫৩ জন শিক্ষার্থীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পরিবেশ আরও স্বস্তিদায়ক হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রওশন ফেরদৌস, আশুগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হেলাল খান, উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা নাদিরা আক্তার, চর সোনারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা উম্মে রোমানসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

বিদ্যালয়টিতে দীর্ঘদিন ধরে শ্রেণিকক্ষে সিলিং ফ্যানের অভাবে তীব্র গরমের মধ্যে পাঠদান করা হতো শিক্ষার্থীদের। বিশেষ করে গরমের সময় শ্রেণিকক্ষে বসে পড়াশোনা করা তাদের জন্য বেশ কষ্টকর হয়ে উঠেছিল।

সম্প্রতি অবহেলিত এই বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামাল হোসেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে গরমের কষ্টের কথা তুলে ধরে তার কাছে সিলিং ফ্যানের দাবি জানায়। শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের কথা শুনে তিনি ফ্যান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। সেই প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ১০টি সিলিং ফ্যান নিয়ে বিদ্যালয়ে হাজির হন তিনি এবং শিক্ষার্থীদের হাতে ফ্যানগুলো উপহার হিসেবে তুলে দেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করার পরামর্শ দেন। ইউএনওর এমন উদ্যোগে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীদের মৌলিক শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাদের পড়াশোনার পরিবেশ উন্নত করার এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

প্রতিনিধি/এলএ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর