ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. বজলুর রহমানকে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। খতিয়ানের তথ্য সরবরাহের নামে অর্থ দাবি ও গ্রহণের অভিযোগে তাকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ এবং সংশ্লিষ্ট ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এ প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
১৪ অক্টোবর বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য তাকে সাচড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই দিন বিকেলে তাকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজড) হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে সাচড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে খতিয়ানের তথ্য সরবরাহের নামে অর্থ দাবি ও গ্রহণের অভিযোগ ওঠে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী সবুজের দাবি, খতিয়ানের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে তাকে একাধিকবার টাকা দিতে হয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে সংশ্লিষ্ট একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়।
অভিযোগের বিষয়ে মো. বজলুর রহমানের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার ব্যক্তিগত সহকারী পরিচয় দেওয়া মো. রাকিব অভিযোগকারীর কাছ থেকে ৩০০ টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। তার দাবি, ওই টাকা সরকারি ফি নয়; অভিযোগকারী খুশি হয়ে তাকে দিয়েছেন।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোরঞ্জন বর্মন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রিফাত হোসেন জানিয়েছিলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি তাদের নজরে এসেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলেও তারা জানান।
বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখার সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. মেহেদী হাসানের স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বলা হয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
প্রতিনিধি/এলএ




