মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

টিসির আবেদন ফি আত্মসাতের অভিযোগ, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে দুদকের অভিযান

জেলা প্রতিনিধি, দিনাজপুর
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম

শেয়ার করুন:

টিসির আবেদন ফি আত্মসাতের অভিযোগ, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে দুদকের অভিযান

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ট্রান্সফার সার্টিফিকেটের (টিসি) আবেদন ফি আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে দুদকের দিনাজপুর জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা এ অভিযান শুরু করেন। এতে নেতৃত্ব দেন কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক খাইরুল বাশার।

দুদক সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের টিসির আবেদন ফি বোর্ডের নির্ধারিত হিসাবে জমা না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগ অনুসন্ধানে অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে নথিপত্র সংগ্রহ এবং কর্মকর্তাদের বক্তব্য নেওয়া হয়।

দুদকের সহকারী পরিচালক খাইরুল বাশার বলেন, নিয়ম অনুযায়ী, টিসির জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হয়। সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং যে প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তি হতে চায়, সেই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকদের সুপারিশসহ আবেদনটি শিক্ষা বোর্ডে জমা দিতে হয়। এরপর ‘সোনালী সেবা’র মাধ্যমে এক হাজার টাকা ফি জমা দিলে বোর্ড টিসির অনুমতি দেয়। সেই অনুমতির ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সার্টিফিকেট ইস্যু করে।

তিনি বলেন, কিছু ক্ষেত্রে দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডকে না জানিয়েই প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করে। ফলে ২০২৬ সালের অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় দেখা যায়, এসব শিক্ষার্থীর তথ্য আগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামেই রয়েছে। এ নিয়ে শিক্ষার্থীরা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পরে এ-সংক্রান্ত প্রায় চার হাজার আবেদন জমা পড়ে।

খাইরুল বাশার আরও বলেন, এসব আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা বোর্ড জরুরি ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের তথ্য আগের প্রতিষ্ঠান থেকে নতুন প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়। বোর্ডের রেজুলেশন ও আলোচনার ভিত্তিতে নিয়মিত প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে এ কাজ করা হয়। এ ক্ষেত্রে ‘সোনালী সেবা’র মাধ্যমে এক হাজার টাকা ফি নেওয়া হয়নি।

দুদকের এই কর্মকর্তা বলেন, অভিযানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে এবং নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। আবেদন ফি আত্মসাৎ বা অন্য কোনো অনিয়মের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নথিপত্র ও বক্তব্য পর্যালোচনা শেষে অনুসন্ধান প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করা হবে।

অভিযানে দুদকের সহকারী পরিচালক ইমরান হোসেন ও উপসহকারী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিনিধি/এসএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর