নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ডাকাত সাহেব আলী (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সোমবার বিকেল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে ওয়াবদা কলোনির বউবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত পৌনে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, চাঁদাবাজিসহ ১০টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, সাহেব আলীকে গুলি করার পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়।
তবে পুলিশ বলছে, নিজ বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে আন্তঃকোন্দলের জেরে গোলাগুলির ঘটনায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, বিকেল ৫টা থেকে ৬টার দিকে বউবাজার এলাকায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় সাহেব আলী গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তার পাশের একটি ড্রেনে পড়ে যান। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ছেলে মো. সজিবের দাবি, স্থানীয় রনিসহ কয়েকজন তার বাবার নাম ব্যবহার করে এলাকায় চাঁদাবাজি করতেন। বিষয়টি জানতে পেরে তার বাবা তাদের বাধা দেন। এ বিরোধের জেরেই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সজিব জানান, সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াবদা কলোনি এলাকায় তাদের নিজস্ব বাড়ি রয়েছে। তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে বউবাজার এলাকায় বালুর ব্যবসা করতেন। সোমবার বিকেলে একটি ফোন পেয়ে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। কিছুক্ষণ পর খবর আসে, বউবাজার এলাকায় তাকে গুলি করে খালের ভেতরে ফেলে রাখা হয়েছে।
সজিবের অভিযোগ, রনিসহ আরও চার-পাঁচজন তার বাবার কপাল ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি করেন এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন।
পুলিশ জানায়, হত্যা, ডাকাতি ও অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে সাহেব আলীর বিরুদ্ধে দশেরও অধিক মামলা রয়েছে। গত বছরও তিনি গ্রেফতার হন। পরে জামিনে বেরিয়ে আসে।
প্রতিনিধি/এলএ




