গাজীপুরের শ্রীপুরে পৃথক ঘটনায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই উপজেলায় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে তার স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে শ্রীপুর পৌর এলাকার উজিলাব গ্রামে বাড়ির পাশের পুকুরপাড় থেকে সবুজ মিয়া (৩৫) নামের ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে, রোববার রাতে রাজাবাড়ি ইউনিয়নের চিনাশুকানিয়া গ্রামের বড়চালা এলাকায় সীমা রানী দাস নামের এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে।
নিহত সবুজ মিয়ার পরিবারের সদস্যরা জানান, রোববার রাতে খাবার খেয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর ফেরেননি। পরে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে সীমা রানী দাস ও তার স্বামী উদ্ভব দাসের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। রোববার রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এর জেরে সীমাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। হত্যাকাণ্ডের পর স্বামী উদ্ভব দাস জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং তাকে গ্রেফতার করে।
অভিযুক্ত উদ্ভব দাস একই গ্রামের নকুল দাসের ছেলে।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর আলম বলেন, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার পর উদ্ভব দাস ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং তাকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ওসি আরও বলেন, সোমবার সকালে বাড়ির পাশ থেকে সবুজ মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ছাড়া তার মৃত্যুর কারণ বলা সম্ভব নয়। দুটি মরদেহই ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
প্রতিনিধি/এসএস




