হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান বলেছেন, রাসূল (সা.)-এর শান-মান ও মর্যাদা আমাদের রক্ষা করতে হবে। তার শানের প্রতি আমাদের ইমান আনতে হবে। রাসূলের শান রক্ষা করার জন্য প্রয়োজন হলে আমাদের রক্ত দিতে হবে। বাংলাদেশে কোনো কুলাঙ্গার রাসূলকে গালি দিতে পারবে না। কওমি মাদরাসা যতদিন থাকবে, ততদিন এদেশের মাটিতে রাসূলকে নিয়ে কোনো কটূক্তি সহ্য করা হবে না৷ তারেক রহমান সাহেব লন্ডন থেকে এসে বলেছিলেন- ‘মদিনা সনদে দেশ চালাবেন’। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলব, রাসূল (সা.)-কে নিয়ে যারা কটূক্তি করবে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে সংসদে আইন পাস করতে হবে। আল্লাহর নবীকে খাতেমুন নবী শেষ নবী হিসেবে মানতে হবে। কাদিয়ানিদেরকে নিষিদ্ধ করতে হবে। কাদিয়ানিদেরকে সংসদে বিল এনে সংখ্যালঘু অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে।
ফেনী শহরের ঐতিহাসিক মিজান ময়দানে শনিবার বিকেলে হেফাজতে ইসলামের আয়োজনে ‘শানে রেসালত’ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা হিজাব নিয়ে নেক্কারজনক মন্তব্য করেছেন, তাকে শুধু কার্যক্রম থেকে বিরত রাখলে হবে না। তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করতে হবে। নারীর মর্যাদা ইসলামে যা দিয়েছে- তা আর কোথাও নেই। টান্সজেন্ডারের শিক্ষা এই দেশে চলতে দেওয়া হবে না। ঈমান রক্ষার জন্য তিনি হিজবুত তওহিদকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান।
তিনি বলেন, ৯২ পার্সেন্ট মুসলিমের দেশের নারীরা হাফপ্যান্ট পড়ে খেলতে দেওয়া হবে না। এছাড়া ধর্মীয় বিষয়গুলো আইন করতে ওলামায়ে কেরামদের সাথে পরামর্শ করে করতে হবে।
হেফাজতে ইসলামের ফেনী জেলা সভাপতি মাওলানা আফজালুর রহমানের সভাপতিত্বে ও জেলা সেক্রেটারি মাওলানা ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- ওলামা বাজার মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা নুরুল ইসলাম আদিব, হাটহাজারীর মাদরাসার মহাপরিচালক খলিল আহমদ কোরাইশী, কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক।
এছাড়া মধুপুরের পীর মাওলানা আব্দুল হামিদ, মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা আহমদ আল কাসেমী, মুফতি হারুন ইজহার চৌধুরী, মুফতি হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী, মুফতি কেফায়েত উল্লাহ আজহারী প্রমুখ ওলামায়ে কেরাম বয়ান করেন।
প্রতিনিধি/এলএ




