রাজবাড়ীতে মেয়েকে ধর্ষণের মামলায় শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে রাজবাড়ী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তৌহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
দণ্ডপ্রাপ্ত শহিদুল ইসলাম রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের পাকালিয়া গ্রামের মৃত মকছেদ ফকিরের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর রাত ১টার দিকে এবং একই বছরের ২৮ ডিসেম্বর রাত ১১টার দিকে শহিদুল ইসলাম তার মেয়ের শয়নকক্ষে ঢুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এ ছাড়া এর আগে প্রায় এক বছর ধরে বিভিন্ন সময় মেয়েকে ধর্ষণ করার অভিযোগও রয়েছে মামলায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে ২০২২ সালের ১২ জানুয়ারি বালিয়াকান্দি থানায় শহিদুল ইসলামকে আসামি করে মামলা করেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, স্বামীকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখতে বাধা দিলে বাদী ও তার মেয়েকে মারধর এবং হত্যার হুমকি দেওয়া হতো। পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে মামলা করেন ভুক্তভোগীর মা।
আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জাহিদ উদ্দিন মোল্লা বলেন, মেয়েকে ধর্ষণের মামলায় শহিদুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে বাদীপক্ষ সন্তুষ্ট। মামলার আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
প্রতিনিধি/এসএস




