সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

কুয়াশার চাদরে ঢাকা তেঁতুলিয়া, ২০ ডিগ্রিতে নামল তাপমাত্রা

জেলা প্রতিনিধি, পঞ্চগড়
প্রকাশিত: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৪ এএম

শেয়ার করুন:

কুয়াশার চাদরে ঢাকা তেঁতুলিয়া, ২০ ডিগ্রিতে নামল তাপমাত্রা
ভোরে কুয়াশার চাদরে ঢেকে গেছে তেঁতুলিয়ার আশপাশ।

রাতভর বৃষ্টির পর ভোরে কুয়াশার চাদরে ঢাকা চারপাশ। সঙ্গে হিমেল হাওয়া বইতে শুরু করায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় যেন শীত উঁকি দিতে শুরু করেছে। আশ্বিনের শেষপ্রান্তে এসে কমেছে তাপমাত্রাও।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ৯টায় দেশের সর্বউত্তরের এই জনপদে তাপমাত্রা নেমে এসেছে ২০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, আগের দিন যা ছিল ২৪ ডিগ্রিতে। ভোরের শীতল আবহে উত্তরাঞ্চলে এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে শীতের আগমনী বার্তা।

প্রতিবছর দেশের অন্য অঞ্চলের তুলনায় পঞ্চগড়ে শীতের অনুভূতি আগেই শুরু হয়। এর পেছনে বড় কারণ জেলার ভৌগোলিক অবস্থান। হিমালয়ের পাদদেশের কাছাকাছি হওয়ায় শীত মৌসুমে উত্তরের ঠান্ডা বাতাস সহজেই এ অঞ্চলে প্রবেশ করে। বিশেষ করে তেঁতুলিয়া হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় সেখানে ঠান্ডা বাতাসের প্রভাব তুলনামূলক বেশি অনুভূত হয়। সঙ্গে কুয়াশা যোগ হলে শীতের অনুভূতিও আরও বেড়ে যায়।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় তেঁতুলিয়ায় ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে সেখানে তাপমাত্রা ২৩ থেকে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছিল। তবে বৃষ্টির পর সোমবার সকালে তা নেমে আসে ২০ ডিগ্রির ঘরে।

tetulia-2আবহাওয়ার এই পরিবর্তনে জেলার বিভিন্ন এলাকায় রাতের শেষ ভাগ ও ভোরে হালকা কুয়াশা পড়তে দেখা গেছে। সকালেও কুয়াশার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মৃদু ঠান্ডা বাতাস। এতে শীতের আগমনী আবহ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ভোরে ঘুম থেকে উঠে জানালা দিয়ে তাকালেই দেখা যাচ্ছে ধোঁয়াটে কুয়াশার চাদর। অনেকে কুয়াশাময় সকালের আবহ উপভোগ করতে বাইরে বের হচ্ছেন। কেউ হাঁটছেন, কেউবা কুয়াশায় ভেজা সকালের দৃশ্য উপভোগ করছেন। শিশু ও বয়স্কদের কেউ কেউ এরই মধ্যে হালকা গরম কাপড় ব্যবহার শুরু করেছেন।

তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, ‘কয়েকদিন ধরেই আবহাওয়ায় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ভোরের দিকে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। এর মধ্যে গতরাতে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। এটি মৌসুমি পরিবর্তনের লক্ষণ। এখন থেকে প্রতিদিন তেঁতুলিয়ায় দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ধীরে ধীরে আরও কমতে পারে।’

প্রতিনিধি/এমআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর