যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, সারাদেশে আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো গড়ে তুলতে প্রতিটি জেলায় একটি করে ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রম ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে দিনাজপুর সরকারি কলেজের হলরুমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে এবং দিনাজপুর সরকারি কলেজের বাস্তবায়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আন্তঃকলেজ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ক্রীড়াবিদদের পেশাগত স্বীকৃতির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্রীড়াবিদদের পেশাগত স্বীকৃতির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ৩০০ খেলোয়াড়কে ক্রীড়া ভাতা দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের শেষ নাগাদ আরও কয়েকজন খেলোয়াড় ও কোচকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি প্রসঙ্গে আমিনুল হক বলেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর প্রথম ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে সারাদেশ থেকে ৩০৬ জন ক্রীড়াবিদকে বাছাই করা হয়েছে। বর্তমানে ঢাকার বিকেএসপিতে তাদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে যোগ্য ক্রীড়াবিদদের স্থায়ীভাবে বিকেএসপিতে ভর্তির ব্যবস্থা করা হবে। আমরা খেলোয়াড় তৈরি না করে কাউকে ছেড়ে দেব না।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন- সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন- দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নাজমুল হোসাইন, দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা এবং দিনাজপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. লুৎফর রহমান।
প্রতিনিধি/এলএ




