ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দি গ্রামে দাম্পত্য কলহের জের ধরে ঘুমন্ত স্বামীর গলা ও গোপনাঙ্গ কাটার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই নারীকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ অক্টোবর) রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহত স্বামী মিরাজ বিশ্বাস (৫০) ওই গ্রামের আবু বকর বিশ্বাসের ছেলে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মিরাজ বিশ্বাস বলেন, সুমাইয়া খাতুন তার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর প্রায় এক বছর আগে তিনি সুমাইয়াকে বিয়ে করেন। গত দুই-তিন দিন ধরে তিনি জ্বরে ভুগছিলেন। কিন্তু স্ত্রী তার সেবা-যত্ন করেননি। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে বুধবার তিনি স্ত্রীকে একটি থাপ্পড় মারেন। ঘটনার রাতে তারা একই সঙ্গে ঘুমিয়ে ছিলেন। আনুমানিক রাত ৩টার দিকে তিনি বাইরে যান। পরে ঘরে ফিরে আসার পর স্ত্রী সুমাইয়া ব্লেড দিয়ে তার গলা ও গোপনাঙ্গে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আহত মিরাজ বিশ্বাসের মা পারুল বেগম বলেন, বিয়ের পর থেকেই মিরাজের সঙ্গে তার স্ত্রীর পারিবারিক সমস্যা চলছিল। বুধবার রাতে তারা একসঙ্গেই ছিলেন। রাত ৩টার দিকে হঠাৎ মিরাজের চিৎকার শুনে ঘরে গিয়ে দেখেন, তার গলা ও নিম্নাঙ্গ কেটে দেওয়া হয়েছে। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্যা বলেন, আড়ুয়াকান্দি গ্রামে স্বামীর গলা ও গোপনাঙ্গ কাটার অভিযোগে সুমাইয়া নামে এক গৃহবধূকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
প্রতিনিধি/এসএস




