মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

প্রতিমন্ত্রী অমিতের উদ্যোগে স্থায়ী ঠিকানা পেল যশোরের সুইড স্কুল

জেলা প্রতিনিধি, যশোর
প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম

শেয়ার করুন:

প্রতিমন্ত্রী অমিতের উদ্যোগে স্থায়ী ঠিকানা পেল যশোরের সুইড স্কুল

যশোরের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘সুইড বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়’-এর নিজস্ব জমির দীর্ঘদিনের সংকটের অবসান হতে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের উদ্যোগে বিদ্যালয়টির অনুকূলে ৭ দশমিক ৯৮ কাঠা আয়তনের একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্লট বরাদ্দ দিয়েছে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ।

দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত জায়গায় কার্যক্রম চালিয়ে আসা প্রতিষ্ঠানটি এবার নিজস্ব জমি পাওয়ায় স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। 

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, জমি বরাদ্দের এই সিদ্ধান্ত তাদের জন্য ‘অন্য রকম প্রাপ্তি’।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক-২ (ভূমি ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা) স্বাক্ষরিত একটি স্মারকপত্রে বিদ্যালয়ের অনুকূলে প্লট বরাদ্দের বিষয়টি জানানো হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের জন্য জমি বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

জমি বরাদ্দের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘সুইড বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়’ যশোরের অনুকূলে ৭ দশমিক ৯৮ কাঠা আয়তনের একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্লট বরাদ্দ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। যশোরের উন্নয়নে সমর্থনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিও যশোরবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা জানান, ১৯৯৪ সালে তৎকালীন মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের সহধর্মিণী বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক নার্গিস বেগম নিজের জায়গা বিনা ভাড়ায় দিয়ে ‘সুইড বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে অধ্যাপক নার্গিস বেগমের জায়গাতেই বিনা ভাড়ায় বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। দীর্ঘ ৩২ বছর পর প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব জমির ব্যবস্থা হলো।

সুইড বাংলাদেশ যশোর জেলা শাখার নির্বাহী সচিব আবুল বাশার সাইফুদ্দৌলা বলেন, ১৯৯৪ সালে অধ্যাপক নার্গিস বেগমের উদ্যোগে এবং তার নিজের জায়গায় বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সেখানেই বিনা ভাড়ায় কার্যক্রম চলছে। এবার প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টি নিজস্ব জায়গা পেল। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্জন।

তিনি বলেন, নিজস্ব জায়গা পাওয়ার ফলে বিদ্যালয়ের স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণসহ ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের জন্য আরও ভালো পরিবেশ তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুর ইসলাম বলেন, এটি আমাদের জন্য এক অন্য রকম প্রাপ্তি। বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য দীর্ঘদিন ধরে আমরা চেষ্টা করেছি। এবার প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সহযোগিতায় নিজস্ব জায়গা পেলাম। এটি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য আনন্দের সংবাদ।

প্রতিনিধি/এলএ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর