মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

ফতুল্লায় এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপির হামলা, আহত ৪

জেলা প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৪ এএম

শেয়ার করুন:

ফতুল্লায় এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপির হামলা, আহত ৪
সংগৃহীত ছবি

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে বক্তাবলী ইউনিয়নের বক্তাবলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন এনসিপি’র জেলা কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম তাওহীদ। তাকে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহত অন্যরা হলেন— আব্দুল্লাহ সাগর, আরমনা ও কামরুল।

এনসিপির প্রচার উপ-কমিটির সম্পাদক সোনিয়া আক্তার লুবনা বলেন, বক্তাবলী বাজার এলাকায় স্থানীয় এক নেতার বাড়িতে আমাদের সাংগঠনিক বৈঠক ছিল। ওই বৈঠকে জেলা কমিটির আহ্বায়ক যুবাইর সরদারসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গেও বাজারে কথা বলেন এনসিপির নেতারা। স্থানীয় লোকজন তখন এনসিপির নেতাকর্মীদের কাছে বক্তাবলী এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর তীরে অবৈধভাবে মাটি কাটা নিয়ে অভিযোগ করেন। মাটি কাটা নিয়ে তখন এনসিপির নেতারা প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্যও রাখেন। এই বক্তব্য রাখার জেরেই দেশীয় ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। হামলায় আমাদের নেতা তাওহীদুল গুরুতর আহত হয়েছেন। তার মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হালিম আজাদের নির্দেশে তার ছোটভাই ইয়াসিন ও অনুসারী নেতাকর্মীরা হামলায় অংশ নেন বলে অভিযোগ করেন এনসিপির নেতারা।

এ ঘটনায় এনসিপির স্থানীয় সংসদ সদস্য (নারায়ণগঞ্জ-৪) অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘নারায়ণগঞ্জের বক্তাবলীতে শান্তিপূর্ণ মিটিংয়ে এনসিপির নেতা তাওহীদসহ নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপি সন্ত্রাসীদের ন্যাক্কারজনক হামলার জবাব দেওয়া হবে। হামলাকারী বিএনপি নামধারী সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় না আনা হলে সমস্ত দায়-দায়িত্ব প্রশাসন ও সরকারি দলকে নিতে হবে।’

তবে, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির অভিযুক্ত নেতা হালিম আজাদ। তিনি মুঠোফোনে বলেন, এনসিপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কিছু লোকজনের ঝগড়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে বলে আমি শুনেছি। সেখানে তাওহীদ আহতও হয়েছে বলে জেনেছি। কিন্তু এই ঘটনার সঙ্গে আমি কিংবা আমাদের কেউ জড়িত না। কার সঙ্গে ঝগড়া হয়েছে তাও জানি না। আমি নিজেও বিষয়টি খোঁজ করছি।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুব আলমের সরকারি মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তাতে সাড়া দেননি।

তবে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (‘ক’ সার্কেল) শামীম হোসাইন বলেন, এ বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত করে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিনিধি/এফএ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর