কুমিল্লার হোমনা থেকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আত্মীয়ের বিয়ের দাওয়াতে যাওয়ার পথে ঝোড়ো হাওয়ার কবলে পড়ে যাত্রীবাহী ট্রলার উল্টে ডুবে গিয়ে কুমিল্লার হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রামের একই পরিবারের নিখোঁজ হওয়া চারজনের মধ্যে উদ্ধারকৃত তিনজনের মরদেহ জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিয়ের অনুষ্ঠানে হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের নবী মিয়ার ট্রলারে করে তারা একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ের উদ্দেশে রওনা হন। পথে ট্রলারটি মেঘনা উপজেলার মৈশারচর এলাকা পাড়ি দিয়ে বৈদ্যের বাজারের কাছাকাছি পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে। প্রচণ্ড বাতাস ও উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে ট্রলারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মেঘনা নদীতে ডুবে যায়।
এ সময় ট্রলারে থাকা ১৩ জন যাত্রীর মধ্যে কয়েকজন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও অনেকে নিখোঁজ হন। পরে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ঐদিনই রায়েলা বেগমের (৬০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রায়েলা বেগমের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কালিকাপুর গ্রামে।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া জানান, এ ঘটনায় হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন— হেলাল উদ্দিন (৫০), তার ছেলে সজিব (২৭) ছেলের বউ সামিনা (১৮) ও তার ছেলে সামিন (৬)।
পরবর্তীতে চারজন নিখোঁজের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত তিন মরদেহ হলো— হেলাল উদ্দিনের ছেলে সজিব (২৭), ছেলের বউ সামিনা (১৮) ও তার ছেলে সামিন (৬)। আর হেলাল উদ্দিন (৫০) এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
উদ্ধারকৃত মরদেহগুলো হোমনার শ্রীমদ্দী গ্রামে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জানাজা সম্পন্ন করে শ্রীমতি চরেরগাঁও কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
প্রতিনিধি/এফএ




