হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে এক পরিবারের তিন সদস্যকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে। তারা হলেন চুনারুঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুম আল-মামুন ও কনস্টেবল রহুল আমীন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ভুক্তভোগীরা হলেন চুনারুঘাট উপজেলার কালিশিরী গ্রামের ছায়েদ মিয়া, তার ভাই ইউনুস মিয়া ও ইউনুস মিয়ার মেয়ে জাসমিন আক্তার।
ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন। ঘটনাটি সাজানো হয়ে থাকলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনের ব্যত্যয় ঘটতে দেওয়া হবে না। বিভাগীয় ব্যবস্থা ও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট দুই পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলাচলের রাস্তা নিয়ে ছায়েদ মিয়ার পরিবারের সঙ্গে প্রতিপক্ষের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে একটি মামলায় আদালতে হাজির হতে ছায়েদ মিয়া, ইউনুস মিয়া ও জাসমিন আক্তার বাড়ি থেকে বের হন।
তারা উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের বগাডুবী রেললাইনের মোড়ে পৌঁছালে পুলিশ তাদের গতিরোধ করে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এসআই মাসুম আল-মামুনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা তল্লাশির নামে তাদের হয়রানি করেন। একপর্যায়ে তাদের পকেটে জোর করে ইয়াবা ঢুকিয়ে গ্রেফতার করে থানায় নেওয়া হয়।
এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। পরে এলাকাবাসী চুনারুঘাট থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও আলোচনা ও নানা মন্তব্য দেখা গেছে।
প্রতিনিধি/এসএস




