মেয়েকে ঘরে না পেয়ে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে শিশু মাহিদার মা মনিরা বেগম জাহিদুলের ঘরের সামনে মাহিদার জুতা দেখতে পান। তিনি দরজা খুলতে বললে জাহিদুল দরজা খোলেন। পরে ঘরে ঢুকে মাহিদাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মাহিদা ইসলাম (৬) নামে এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জাহিদুল (১৭) নামে এক কিশোরকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে দিয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার তালশহর ইউনিয়নের আন্দিদিল গ্রাম থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মাহিদা ওই গ্রামের সৌদি আরবপ্রবাসী মোজাম্মেল মিয়ার মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত।
আটক জাহিদুল সম্পর্কে মাহিদার চাচাতো চাচা বলে জানিয়েছে পরিবারের লোকজন।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, জুমার নামাজের পর মাহিদাকে পানি খাওয়ানোর কথা বলে নিজের ঘরে নিয়ে যায় জাহিদুল। এরপর তাকে ধর্ষণ করে হত্যার পর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক মনির হোসেন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা সম্ভব নয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আরাফাতুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
প্রতিনিধি/এলএ




