নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে আসার পথে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার মেঘনা নদীতে ডুবে গেছে। এ ঘটনায় রাইশা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। একই পরিবারের বাবা, দুই ছেলে ও মেয়েসহ চারজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সোনামই এলাকায় আমান সিমেন্ট কারখানাসংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
রাইশা বেগমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান দিগন্ত।
নিখোঁজরা হলেন- হেলাল উদ্দিন (৫৫), তার ছেলে সজীব (২৪) ও সামিন (৫) এবং মেয়ে সামিয়া (১৭)। একই পরিবারের শিরিন বেগম (৪৫) ও তার আরেক মেয়ে লামিয়া আক্তারকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হারিয়া এলাকার সাজিয়া আক্তার ও শিশিরের বিয়েতে অংশ নিতে স্বজনরা হোমনা থেকে একটি ট্রলারে করে সোনারগাঁয়ের হারিয়া এলাকায় আসছিলেন। মেঘনা নদী পার হওয়ার সময় ট্রলারটি ডুবে গেলে যাত্রীরা পানিতে পড়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন অন্য একটি ট্রলার নিয়ে কয়েকজনকে উদ্ধার করে। আহত কয়েকজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমাদের এখানে একজন নারী রোগী আনা হয়েছে। তিনি মারা গেছেন।
সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ জাহেদ চৌধুরী বলেন, দুপুর দেড়টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে আমরা খবর পাই বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে। খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করি।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, নিখোঁজ চারজনকে উদ্ধারে আমাদের ডুবুরি দল গিয়েছিল। তবে রাত হয়ে যাওয়ায় উদ্ধার কার্যক্রম চালানো সম্ভব হয়নি। শুক্রবার সকালে ফের উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হবে।
প্রতিনিধি/এলএ




