রাজাকারের তকমা দূর করতে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া জামায়াতের দুই নেতাকে মন্ত্রিত্ব দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় ৫১০টি পরিবারকে গৃহনির্মাণ বাবদ ৩০ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়।
জামায়াতে ইসলামী দল হিসেবে অকৃতজ্ঞ মন্তব্য করে মীর শাহে আলম বলেন, ‘খালেদা জিয়া ২০০১ সালে জামায়াতের দুই নেতাকে মন্ত্রিত্ব দিয়েছিলেন, যাতে তাদের রাজাকারের তকমা দূর হয়। জামায়াত এখন সব ভুলে গেছে। এ সরকার জনগণের সরকার, দুই তৃতীয়াংশ ভোটে নির্বাচিত। অথচ ছয় মাস না যেতে তারা এখন লংমার্চ করে সরকার পতনের হুমকি দেয়।’
এনসিপি ও জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এনসিপি ও জামায়াতর সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক পুরোনো। ভারতে পলাতক নেতাদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ থাকতে পারে। তাদের পুরোনো সম্পর্ক আবার জোড়া লাগতে পারে। এখন তারা দেশে যে আন্দোলন করছে, এটা আওয়ামী লীগকে সহায়তা করার শামিল।
‘১১ দলীয় জোটের নেতারা সংসদে এক কথা বললেও বাইরে আরেক কথা বলেন। তারা নানারকম অভিনয় করছেন। এনসিপির নেতাদের বয়স কম। অথচ তারা সম্মান দিয়ে, রাজনৈতিক ভাষায় কথা বলেন না। তারেক রহমানকে নিয়ে বিশ্রি ভাষায় কথা বলেন। বিএনপিকে কারো হুমকিতে পরোয়া করে না।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে শাহে আলম বলেন, ‘আগামী বছরের জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে। সেজন্য দলের নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নিতে হবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে। এবার স্থানীয় নির্বাচনে, উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি একক প্রার্থী সমর্থন দেবে। যে বিরোধিতা করবে ও বিদ্রোহী হবে তাদের বিরুদ্ধে দল ব্যবস্থা নেবে।’
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যারা গত নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে বেঈমানি করেছে, দলে আর তাদের ঠাঁই হবে না। দলের জন্য যারা দুঃসময়ে কাজ করেছেন তারা ঠিকাদারিসহ বৈধ সবকিছু পাবেন।’
প্রতিনিধি/এমআর




