কুমিল্লায় ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন ৩ ঘাতক। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে আটটার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম আবিদা সুলতানা মলির আদালতে ঘাতক তুহিন, ফাহাদ এবং কামরুল ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। কুমিল্লা আদালতের পরিদর্শক সাদিকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. কাইমুল হক রিংকু সাংবাদিকদের বলেন, কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কেউ আসামিদের পক্ষে লড়বেননা। এ হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ঘটনা।
সুত্র জানায়, জবানবন্দিতে তারা তিনজনই অপ্রতিমকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। হাতে আইফোনটি দিতে রাজি না হওয়ায় তার সাথে ধস্তাধস্তি করা হয়। একপর্যায়ে মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
এ সময় বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে তার হত্যা নিশ্চিত করা হয়। তিন ঘাতকই আদালতে হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে এর দায় স্বীকার করেছেন। এর আগে রাত আটটার দিকে তিন ঘাতককে আদালতের সোপর্দ করে ডিবি পুলিশ। পরে আসামিদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
কুমিল্লা আদালতের পরিদর্শক সাদেকুর রহমান বলেন, অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় ঘাতক তুহিন ফাহাদ কামরুল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রাত পৌনে ৯টার দিকে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়। আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য তাকে হত্যা করে ঘাতকরা। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
প্রতিনিধি/এআরএম




