পাবনা সদর উপজেলার কুলোনিয়ার শিশু কামরুন নাহার কলি (১০) হত্যা ও গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত কঠোর বিচারের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। আসামিদের দ্রুত বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে এলকাবাসী।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিভিন্ন যানবাহনে করে এসে জেলা প্রশাসকের সামনে জড়ো হোন বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। এসময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে গিয়ে অবস্থান গ্রহণ করেন। পরে জেলা সিভিল সার্জন অফিসের সামনেও বিক্ষোভ করেন তারা।

এসময় নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে জেলা প্রশাসক কার্যালয়। বিক্ষুব্ধ জনতারা ঘোষণা দেন- অতিদ্রুত কলি হত্যার বিচার করতে হবে। তাকে দ্রুত ফাঁসি দিয়ে জনসম্মুখে কার্যকর করতে হবে। যেন এমন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে যা দেখে আর কেউ এই ধরনের নেক্কারজনক ঘটনা না ঘটাতে পারে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে কলি হত্যার ঘটনায় বিচারের দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দেন তারা।

উল্লেখ্য, গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ ছিলেন তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী কামরুন নাহার কলি। থানায় জিডি এবং অনেক খোজাখুজির পরও তার সন্ধান মেলেনি। পরে নিখোঁজের ৭দিন পর বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে কুলোনিয়ায় কামরুন্নাহার কলির বাসার পাশের একটি ডোবা থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এঘটনায় ওইদিনই কলির প্রতিবেশী মোস্তফা প্রামাণিক (৫৫) এবং মোস্তফার বাড়ির ভারাটিয়া ইয়াসিন আলীকে (৩০) আটক করে পুলিশ। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে কলিকে গণধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে। এঘটনায় নিহত কলির বাবা থানায় মামলা দায়ের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ ৫ দিনের রিমাণ্ড চেয়েছে।
প্রতিনিধি/টিবি




