মধ্যরাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আজমল (৩৫) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আজমল হরিণটানা এলাকার কুতুবের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরিচয়ে কয়েকজন যুবক গুরুতর আহত অবস্থায় আজমলকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে নিয়ে আসার প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালে নেওয়ার সময় তারা কর্তৃপক্ষকে জানান, আজমল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার একটি ভবনের চারতলা থেকে লাফিয়ে পড়ে আহত হয়েছেন।
হাসপাতাল সূত্র আরও জানায়, তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মাথার চুল একপাশ দিয়ে কাটা। তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা যুবকেরা তার মৃত্যুর পর দ্রুত সেখান থেকে চলে যায়।
স্থানীয়রা কয়েজন বাড়ির মালিক জানান, গতকাল রাত সাড়ে ১২টা থেকে ১টার দিকে পাশের একটা বিল্ডিং থেকে চিৎকার চেঁচামেচির শব্দে বাইরে এসে দেখেন ওই বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলার ছাদে কাউকে পেটানো হচ্ছে। পরে তাকে নিচে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ব্যক্তিটি তখন পানি চায়, এসময় তাকে পানি দেওয়া হয়। পরে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে নির্যাতনকারীরা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে জানতে পারি, সে মারা গেছে। আজমল পাশের একটা বিল্ডিংয়ে থাকতো। অভিযুক্তরা তার কাছে চাঁদা দাবি করেছিল বলে শুনেছি।
আরও পড়ুন
হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন জানান, ঘটনার বিষয়ে আমরা জানতে পেরেছি। নিহত আজমনের লাশ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। তার পরিবার থানায় এসে অভিযোগ করলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।
প্রতিনিধি/টিবি




