শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

নবাবগঞ্জে যুবদল নেতাকে হত্যার পর নদীতে লাশ, ৩ দিনেও উদ্ধার হয়নি

উপজেলা প্রতিনিধি, দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা)
প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১০ এএম

শেয়ার করুন:

নবাবগঞ্জে যুবদল নেতাকে হত্যার পর নদীতে লাশ, ৩ দিনেও উদ্ধার হয়নি
মেয়ের সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম সেন্টু (৪০)। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার খতিয়া এলাকায় যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম সেন্টুকে (৪০) হত্যার পর লাশ কালীগঙ্গা নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো তার লাশ উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

সেন্টু ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের রাজনীতি করতেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার। তিনি উপজেলার খতিয়া এলাকার আউশ উদ্দিনের ছেলে। এ ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। মামলায় এখন পর্যন্ত চার আসামিকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন, সেন্টুকে কালীগঙ্গা নদীর তীরে হত্যার পর লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।

লাশ উদ্ধারে ঢাকার বঙ্গবাজার ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নদীতে অভিযান চালায়। তবে তীব্র স্রোতের কারণে তারা লাশ উদ্ধার করতে পারেনি বলে জানান ডুবুরি দলের সদস্যরা।

এরপর থেকে স্বজনরা ট্রলার নিয়ে নদীতে লাশের সন্ধান করছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে সেন্টুর ভাই বিপ্লব বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে আমরা ট্রলার নিয়ে নদীতে খোঁজাখুঁজি অব্যাহত রেখেছি। নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।’

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সোমবার রাতে (১৪ সেপ্টেম্বর) সেন্টুকে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে নদীর পাড়ে কুপিয়ে হত্যার পর লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পরদিন সেন্টুর ছোট ভাই বিপ্লব হোসেন বাদী হয়ে ১১ জনকে আসামি করে নবাবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। বুধবার দুপুরে চার আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়।

নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হানিফ জানান, এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। আসামিদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী লাশ কালীগঙ্গা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। লাশ উদ্ধারে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

প্রতিনিধি/এআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর