মাদারীপুরের রাজৈরে সেকান্দার আলী হাওলাদার হত্যা মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একজনকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৪ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নাহিদুর রহমান নাহিদ এ রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—রাজৈর উপজেলার বাসাবাড়ি এলাকার গফুর হাওলাদারের তিন ছেলে লিটন হাওলাদার, টিটন হাওলাদার ও বাচ্চু হাওলাদার। আর সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি একই এলাকার আতিয়ার হাওলাদার।
আদালত সূত্রে জানা যায়, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামির কেউ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তারা জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০১৪ সালের ৫ জুলাই বাড়ি ফেরার পথে রাজৈরের বাসাবাড়ি ব্রিজ এলাকায় সেকান্দার আলী হাওলাদারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন আসামিরা। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই ইলিয়াস হাওলাদার বাদী হয়ে রাজৈর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক সারাজুল ইসলাম। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।
মাদারীপুরে সেকান্দার হত্যা মামলায় ৩ ভাইয়ের যাবজ্জীবন
মাদারীপুর
মাদারীপুরের রাজৈরে সেকান্দার আলী হাওলাদার হত্যা মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একজনকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৪ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নাহিদুর রহমান নাহিদ এ রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—রাজৈর উপজেলার বাসাবাড়ি এলাকার গফুর হাওলাদারের তিন ছেলে লিটন হাওলাদার, টিটন হাওলাদার ও বাচ্চু হাওলাদার। আর সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি একই এলাকার আতিয়ার হাওলাদার।
আদালত সূত্রে জানা যায়, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামির কেউ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তারা জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০১৪ সালের ৫ জুলাই বাড়ি ফেরার পথে রাজৈরের বাসাবাড়ি ব্রিজ এলাকায় সেকান্দার আলী হাওলাদারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন আসামিরা। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই ইলিয়াস হাওলাদার বাদী হয়ে রাজৈর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক সারাজুল ইসলাম। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।
প্রতিনিধি/ এজে




