মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায় অবৈধ কারেন্ট জাল তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪২ হাজার রিল সুতা ও ৫ হাজার বর্গমিটার কারেন্ট জাল জব্দ করেছে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের দয়াল বাজার ও ফিরিঙ্গি বাজার এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে কারখানা থেকে মনোফিলামেন্ট সুতা ও কারেন্ট জাল তৈরিতে ব্যবহৃত আনুমানিক ৪২ হাজার রিল সুতা এবং প্রায় ৫ হাজার বর্গমিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। জব্দ করা সামগ্রীর আনুমানিক বাজারমূল্য কয়েক লাখ টাকা।

অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা। এ সময় কারখানায় কর্মরত সেন্টু নামের এক কর্মচারীকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে কারখানাটির বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।
পরে জব্দ করা অবৈধ কারেন্ট জাল ধলেশ্বরী নদীর তীরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অভিযানে মুক্তারপুর নৌপুলিশ ও মুন্সিগঞ্জ সদর থানা-পুলিশের সদস্যরা সহযোগিতা করেন। মুক্তারপুর নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আব্দুল মাবুদসহ নৌপুলিশের সদস্য এবং সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মচারীরাও এতে অংশ নেন।

সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবুল হাসেম বলেন, মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। শুধু আইন প্রয়োগ নয়, কারেন্ট জালসহ অন্যান্য ক্ষতিকর জালের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন। পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারলে দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন সম্ভব হবে।
এর আগে, মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় ইউএনও মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা অবৈধ কারেন্ট জাল উৎপাদন ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান।
প্রতিনিধি/এসএস




