বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

হিলি কাস্টমসের বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস করল এনবিআর

জেলা প্রতিনিধি, দিনাজপুর
প্রকাশিত: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম

শেয়ার করুন:

হিলি কাস্টমসের বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস করল এনবিআর

দিনাজপুরের হিলি স্থল কাস্টমস স্টেশনের শুল্ক গুদামে সংরক্ষিত রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ প্রায় দেড় মেট্রিক টন ধ্বংসযোগ্য পণ্য বিনষ্ট করা হয়েছে। ধ্বংস করা এসব পণ্যের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হিলি পৌরসভার গোহারা শ্মশান সংলগ্ন নির্ধারিত ময়লার ডিপো এলাকায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) স্থায়ী আদেশ নং-৪৩/কাস্টমস/২০২৬ অনুযায়ী সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এসব পণ্য ধ্বংস করা হয়।

হিলি স্থল কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, ধ্বংস করা পণ্যের মধ্যে খাদ্যদ্রব্য, তামাকজাত পণ্য, প্রসাধনী সামগ্রীসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবহার অনুপযোগী জি.আর.ভুক্ত পণ্য ছিল। দীর্ঘদিন শুল্ক গুদামে সংরক্ষিত থাকার পর রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত এসব পণ্য ধ্বংসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, রংপুরের কমিশনার মুহাম্মদ রাশেদুল আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ধ্বংস কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, রংপুরের যুগ্ম কমিশনার মো. ফয়সাল বিন রহমান।

এ সময় ধ্বংস কমিটির সদস্য হিসেবে হাকিমপুর উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি), হাকিমপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার, ২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক, পরিবেশ অধিদফতর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, হাকিমপুর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী এবং পানামা হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেডের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ধ্বংসযোগ্য পণ্য ধ্বংসকরণ কমিটির সদস্য-সচিব ও হিলি স্থল কাস্টমস স্টেশনের ডেপুটি কমিশনার মুহাম্মদ মহি উদ্দিন পুরো কার্যক্রমের সমন্বয় করেন।
পরে হাকিমপুর পৌরসভার সরবরাহ করা রোলার ও এক্সকাভেটরের মাধ্যমে পণ্যগুলো পিষে সম্পূর্ণ ব্যবহার অনুপযোগী করা হয়। এরপর স্বাস্থ্যবিধি মেনে নির্ধারিত স্থানে গর্ত করে সেগুলো মাটিচাপা দেওয়া হয়।

প্রতিনিধি/এমআই

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর