খুলনার জেলখানা ঘাটে ফেরী ও ট্রলারের সংঘর্ষে ভৈরব নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়ার এক সপ্তাহ পর রাকিব খানের (২৮) লাশ উদ্ধার করেছে রুপসা নৌ পুলিশ।
মঙ্গলবার(০৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধায় বটিয়াঘাটা উপজেলার কাজিবাছা নদীর কাতিয়ানাংলা ঘাট এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। রাকিব খান রূপসা উপজেলার সেনের বাজার এলাকার হাজীগ্রামের মৃত বাকের খানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কাজীবাছা নদীতে বিকেলে রাকিবের ভাসমান মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে রাকিবের স্বজনরা গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করেন।
গত ১ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ১০টার দিকে জেলখানা ঘাট থেকে ৩০ থেকে ৩৫ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার সেনেরবাজারের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে খুলনার দিকে আসা একটি ফেরির সঙ্গে মাঝনদীতে ট্রলারটির সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর ফেরির চালক ফেরিটি থামিয়ে দেন। এতে ট্রলারটি ডুবে যায়।
দুর্ঘটনার পর পরই অধিকাংশ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও রাকিব খান ও ট্রলারটি নিখোঁজ থেকে যায়। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশ ও স্থানীয়রা যৌথ উদ্ধার অভিযান চালায়। ঘটনার ৭ দিন পর পশুর নদীতে রাকিবের মরদেহ ভেসে ওঠে।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, রাকিবের পরিবার মরদেহটি শনাক্ত করেছে। তারা নিশ্চিত করেছেন, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি রাকিবের। সুরতহাল শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।




