খুলনার সন্ত্রাসী গ্রুপ ‘আরমান বাহিনী’র প্রধান আরমান হোসেন দিপু ওরফে ‘শ্যুটার আরমানকে’ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ গ্রেফতার করেছে র্যাব-৬।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) র্যাব-৬ খুলনার উপ-অধিনায়ক ও সিপিএসসি কোম্পানি কমান্ডার মেজর নাজমুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
গ্রেফতার আরমান দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকার আসাদুজ্জামান মিঠুর ছেলে।
র্যাব জানায়, রোববার ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে আরমানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য ও স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দৌলতপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় আরমান ও তার সহযোগীদের ব্যবহৃত একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি শটগান ও ১২ রাউন্ড শটগানের গুলি উদ্ধার করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে ভৈরব নদ থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ঘাউরা রাজিবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই নম্বর আসামি আরমান।
এ ছাড়া গত ২৪ জুন ভোরে খুলনার একটি মসজিদে ঢুকে দুই ব্যক্তিকে গুলি করার ঘটনায় ব্যবসায়ী লোকমান হাকিম ও আলম শেখ (৫৫) গুলিবিদ্ধ হন। ওই হত্যাচেষ্টার ঘটনায় আরমান নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলে র্যাবের দাবি।
র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, হত্যা, অস্ত্র ও দস্যুতাসহ অন্তত সাতটি মামলার আসামি আরমান। ছয় মাস পর ওই বছরের ২৮ নভেম্বর তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান। এরপর আত্মগোপনে থাকলেও একাধিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তার নাম আসে।
গত ১৬ মার্চ দৌলতপুর থানা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাশিকুল আনাম রাশুকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডে সন্ত্রাসী নাসিমুল গণি ওরফে নাসিম ও আরমানের নাম উঠে আসে বলে র্যাব জানায়।
র্যাব জানায়, আরমানকে গ্রেফতারের ফলে তার নেতৃত্বাধীন বাহিনীর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পথ আরও সুগম হয়েছে। একই সঙ্গে তার সহযোগীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিনিধি/এসএস




