চাকরির আবেদন ফি বাবদ মাত্র ৬০ টাকা খরচ করে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ২০তম গ্রেডের বিভিন্ন পদে চাকরি পেয়েছেন ৫৭ জন। নিয়োগে কোনো ধরনের ঘুস, আর্থিক লেনদেন বা তদবির হয়নি বলে দাবি করেছেন নবনিয়োগপ্রাপ্তরা ও বিভাগীয় কমিশনার।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নবনিয়োগপ্রাপ্তদের নিয়ে আয়োজিত ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।
বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ বলেন, বরিশালে যোগদানের পর বিভাগে শতাধিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়োগে টাকা দিয়ে চাকরি হয়েছে— এমন প্রমাণ কেউ দিতে পারলে তিনি চাকরি ছেড়ে দেবেন।
তিনি বলেন, কোনো চাপের কাছে নতিস্বীকার না করে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। নবনিয়োগপ্রাপ্তদেরও কর্মক্ষেত্রে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
বরিশাল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মামুন তালুকদার বলেন, কোনো তদবির ও আর্থিক লেনদেন ছাড়াই যে চাকরি পাওয়া সম্ভব, সদ্য নিয়োগ পাওয়া কর্মচারীরাই তার প্রমাণ। যারা নিয়োগ পেয়েছেন, তারাই সবচেয়ে ভালো জানেন কীভাবে তাদের নিয়োগ হয়েছে।
সদ্য নিয়োগ পাওয়া জুলহাস হোসেন, হাসি আক্তার ও মোহাম্মদ বুলবুল ইসলামসহ একাধিক কর্মচারী জানান, এর আগে তারা পাঁচ থেকে সাতবার পর্যন্ত বিভিন্ন চাকরির ভাইভা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। তবে এবার কোনো তদবির বা টাকা ছাড়াই মেধার ভিত্তিতে চাকরি পেয়েছেন।
গত বছরের ২৩ অক্টোবর বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, এর অধীন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ও বরিশাল সার্কিট হাউসের ২০তম গ্রেডের ৮২টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। নিয়োগ পরীক্ষা শেষে এর মধ্যে ৫৭টি পদের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
প্রতিনিধি/এজে




