মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরে হামলা মামলায় আ.লীগ নেতা গফুর কারাগারে

জেলা প্রতিনিধি, ফেনী
প্রকাশিত: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০০ পিএম

শেয়ার করুন:

খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরে হামলা মামলায় আ.লীগ নেতা গফুর কারাগারে

ফেনীতে ২০১৭ সালে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি আবদুর গফুর ভূঞাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। 

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শুনানি শেষে ফেনী জেলা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ছালামত উল্লাহ জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে গফুরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ফেনী জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন খাঁন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আবদুর গফুর ভূঞাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

এর আগে, বক্সমাহমুদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এ সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাইকোর্ট থেকে ৮ সপ্তাহের আগাম জামিন লাভ করে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তিনি মামলার ১৫২ নম্বর আসামি।

খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় সাত বছর পর ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর ফেনী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিমকে প্রধান আসামি করে ৪৫১জনের নামে ছাগলনাইয়া থানায় মামলাটি করেন সুলতান মোহাম্মদ সিকান্দার নামে বিএনপির এক নেতা। তিনি ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর লাঙ্গলমোড়া গ্রামের মোহাম্মদ ওবায়দুল হকের ছেলে ও উপজেলা বিএনপির সাবেক অর্থ সম্পাদক। 

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া কক্সবাজারের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির পরিদর্শন ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি ছিল। সকাল ১০টায় ঢাকায় নিজ বাসা থেকে নেতা-কর্মীদের নিয়ে তিনি টেকনাফের উদ্দেশে রওনা দেন। নেতা-কর্মীদের নিয়ে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ছাগলনাইয়া উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড নতুন মুহুরীগঞ্জ বাজার এলাকা অতিক্রম করার সময় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা হামলা করে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, গাড়িবহর লক্ষ্য করে গুলি, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়। হামলায় গণমাধ্যমকর্মী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের বহনকারী প্রায় ৩০টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এতে বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী ও তৎকালীন মহাসচিব বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অনেকেই আহত হন। মারধর করেন খালেদা জিয়ার দেহরক্ষীসহ অনেককে। এই হামলার জন্য স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের দায়ী করা হয়। গাড়িবহরে হামলার পর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের বাড়িঘরেও হামলা হয়। জোর করে বিএনপির কর্মীদের কাছ থেকে চাঁদাও আদায় করা হয়। 

প্রতিনিধি/ এজে

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর