কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে নিয়ে দশম শ্রেণির এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও চারজনকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে লালমাই পাহাড়ের কোটবাড়ির সাদ্ধের মুড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
রোববার (৩০ আগস্ট) বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা একজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।
আটককৃত ওই যুবকের নাম মো. সাকিব (২০)৷ তিনি চান্দিনা উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের শহীদ মিয়ার ছেলে।
এদিন সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।
ভুক্তভোগী কিশোরী চান্দিনা উপজেলার পাইকটা এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীর সঙ্গে সিয়াম নামে একজনের প্রেমের সম্পর্ক। শনিবার তারা কুমিল্লার ধর্মসাগর পাড় এলাকায় ঘুরতে আসে। সেখান থেকে সিয়াম তার প্রেমিকাকে লালমাই পাহাড়ের চূড়ার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকে অপেক্ষা করছিলেন প্রেমিকের আরও চার বন্ধু।
পরে তারা (প্রেমিক ও প্রেমিকা) উপস্থিত হলে একজন যুবক তাদের পাহারা দেয় এবং প্রেমিকসহ অন্য চারজন রাতভর কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। ভোরে ওই কিশোরীকে নিয়ে চারজন ঘটনাস্থল থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা সন্দেহের ভিত্তিতে তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। ওইসময় কিশোরী ঘটনাটি স্থানীয়দের কাছে জানায়। পরে চারজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও একজনকে আটক করে স্থানীয়রা।
জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ওই কিশোরীকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, এ ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে। বাকি চারজনকে ধরতে জেলা পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। ওই কিশোরীর মেডিকেল পরীক্ষার পর ঘটনা আরও বিস্তারিতভাবে জানা যাবে।
প্রতিনিধি/এএইচ



