কক্সবাজারের মহেশখালীতে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে আটটি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সিএনজিচালকসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় আরও দুজন পালিয়ে যান।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) ও মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট মো. অহিদুর রহমান।
পুলিশ জানায়, শনিবার রাত ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে মহেশখালী থানার ছোট মহেশখালী আদিনাথ জেটিঘাট এলাকা থেকে বদরখালীগামী সড়কে একটি সবুজ রঙের সিএনজি অটোরিকশা দেখতে পায় পুলিশ। গাড়িটিকে থামার সংকেত দিলে চালক ঠাকুরতলা চৌরাস্তা মোড়ে জগন্নাথ ফার্মেসির সামনে গাড়িটি থামান। এ সময় অটোরিকশায় থাকা কয়েকজন ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন।
পরে পুলিশ ধাওয়া করে দুজনকে আটক করে। তবে আরও দুজন পালিয়ে যান।

আটক ব্যক্তিরা হলেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের হরিনখাইন এলাকার মো. রুবেল মিয়া (৩৪) এবং মহেশখালীর ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের ঠাকুরতলা এলাকার মানিক দে (৩৮)।
পুলিশ অটোরিকশাটিতে তল্লাশি চালিয়ে একটি দেশীয় তৈরি রাইফেল ও সাতটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক উদ্ধার করে। এ ছাড়া আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে দুটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান বলেন, পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না। আটক দুজনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সুলতান বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সন্ত্রাসী ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের গ্রেফতারে মহেশখালীতে বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হবে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
প্রতিনিধি/এসএস




