বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

কুষ্টিয়া সীমান্তে পুশইন ও চোরাচালান ঠেকাতে বিজিবির মাইকিং

জেলা প্রতিনিধি, কুষ্টিয়া 
প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৪:১১ পিএম

শেয়ার করুন:

কুষ্টিয়া সীমান্তে পুশইন ও চোরাচালান ঠেকাতে বিজিবির মাইকিং

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে অবৈধ সীমান্ত পারাপার, পুশ-ইন ও চোরাচালানসহ বিভিন্ন সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমসহ মাইকিং করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্তে সাম্প্রতিক সময়ে অবৈধ পারাপার ও পুশইন ঠেকানো এবং চোরাচালান প্রতিরোধে উত্তেজনা ও সতর্কতা বাড়তে থাকায় সীমান্তবর্তী মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় অবৈধ সীমান্ত পারাপার, পুশইন, চোরাচালানসহ বিভিন্ন সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে নিয়মিত জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হয়।

মাইকিংয়ের মাধ্যমে সীমান্তবাসীকে, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম না করা এবং কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধ সীমান্ত পারাপারে সহযোগিতা না করার জন্য সতর্ক করা হয়। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা দলের চলাচল, পরিচয় গোপন করে অবস্থান, সীমান্তের অন্য প্রান্ত থেকে কাউকে পুশ-ইনের চেষ্টা অথবা কোনো ভারতীয় নাগরিকের অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের ঘটনা নজরে এলে দ্রুত নিকটস্থ বিজিবি টহল দল বা ক্যাম্পকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া সীমান্তের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপ্রয়োজনে সীমান্ত এলাকায় ঘোরাফেরা না করা, অপরিচিত বা সন্দেহজনক ব্যক্তিকে বাড়িতে আশ্রয় না দেওয়া এবং মাদক, অস্ত্র, মানবপাচার ও চোরাচালানসহ যে-কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য স্থানীয়দের সচেতন করা হয়।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত সুরক্ষায় শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতাই নয়, সীমান্তবর্তী জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সীমান্ত এলাকায় কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে দ্রুত নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প বা টহল দলকে অবহিত করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা, অবৈধ সীমান্ত পারাপার ও পুশ-ইন প্রতিরোধ এবং মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান দমনে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা, নজরদারি ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত পরিস্থিতি বিবেচনায় এসব কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, অবৈধ সীমান্ত পারাপার অথবা এ কাজে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিনিধি/এজে

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর