দীর্ঘ দুই বছর বন্ধ থাকার পর টুরিস্ট ভিসা কার্যক্রম চালু হওয়ায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ভ্রমণ, চিকিৎসা ও আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা করতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাতায়াত করছেন বাড়তি সংখ্যক যাত্রী।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া।
তিনি জানান, টুরিস্ট ভিসা চালুর আগে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১১০ থেকে ১২০ জন পাসপোর্টধারী যাত্রী ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াত করতেন। বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে দৈনিক প্রায় ১৫০ থেকে ১৬০ জনে দাঁড়িয়েছে। টুরিস্ট ভিসা চালুর পর থেকেই যাত্রী পারাপারে এই ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘদিন পর টুরিস্ট ভিসায় ভারত ভ্রমণের সুযোগ পাওয়ায় অনেকেই চিকিৎসা, পর্যটন ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে দেশটিতে যাচ্ছেন। একইভাবে ভারত থেকেও বাংলাদেশে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের আগমন বেড়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, টুরিস্ট ভিসা চালুর ফলে দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়ছে। এতে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে যাত্রী পারাপার ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে আশা করছেন তারা।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি মো. জাকারিয়া বলেন, যাত্রী সংখ্যা বাড়লেও পারাপার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের দ্রুত ও নির্বিঘ্ন সেবা নিশ্চিত করতে ইমিগ্রেশনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
প্রতিনিধি/টিবি



