নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে স্যালাইন মজুত থাকার পরও রোগীকে তা না দিয়ে বাইরে থেকে কিনতে বলার অভিযোগে এক সিনিয়র স্টাফ নার্সকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামানের সই করা নোটিশে এ তথ্য জানা যায়। অভিযুক্ত নার্স মাসুদা আক্তার হাসপাতালের মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রোববার স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডের ১১৩ নম্বর শয্যায় চিকিৎসাধীন রোগী তারিনের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
রোগী ও তার স্বজনেরা মন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেন, হাসপাতালে স্যালাইন মজুত থাকলেও ওয়ার্ড ইনচার্জ মাসুদা আক্তার তা সরবরাহ না করে বাইরে থেকে কিনে আনতে বলেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে রোগীর বাইরে থেকে স্যালাইন কেনার টাকা নিজের পকেট থেকে পরিশোধ করেন তিনি।
এরপর ওই নার্সের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার তাকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে সরকারি দায়িত্বে অবহেলা ও চাকরিবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কেন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা সাত কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।
নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সরকারি দায়িত্বে অবহেলা ও চাকরিবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ওই নার্সকে শোকজ করা হয়েছে। সাত কর্মদিবসের মধ্যে তাকে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
প্রতিনিধি/এসএস




