ফরিদপুরে হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে আসা প্রায় অর্ধশত ঘুঘু পাখি সাংবাদিকের হস্তক্ষেপে প্রাণে বেঁচেছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের মমিন খার হাটে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের দুর্গম ধোলাই চরে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল দিয়ে পাখি শিকার করে আসছে একটি চক্র। পরে এসব পাখি বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি করা হয়। দুর্গম চরাঞ্চল হওয়ায় পাখি শিকারিরা অনেকটা নির্বিঘ্নে এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
বুধবার দুপুরে মাসুদ নামের ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তি প্রায় ৬০টি ঘুঘু পাখি নিয়ে মমিন খার হাটে বিক্রি করতে আসেন। এর মধ্যে কয়েক জোড়া পাখি ১০০ টাকা জোড়া দরে বিক্রিও করেন তিনি। বিষয়টি সাংবাদিকের নজরে এলে তিনি ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ভিডিও করেন এবং পাখি শিকারের বিষয়ে ওই ব্যক্তিকে প্রশ্ন করেন।

পরে সাংবাদিকের প্রশ্নের মুখে ওই ব্যক্তি খাঁচায় থাকা প্রায় অর্ধশত ঘুঘু ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। খাঁচা থেকে মুক্ত হয়ে পাখিগুলো উড়ে যায়।
ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া বলেন, পাখিসহ সব ধরনের বন্য প্রাণী শিকার আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। কোনো সচেতন নাগরিক শিকারিদের বিষয়ে প্রশাসনকে জানালে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, পাখি শিকার কিংবা চায়না দুয়ারি জাল দিয়ে মাছ শিকারও আইনত দণ্ডনীয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিনিধি/এসএস




