বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

বিএম কলেজে ছাত্রদল-শিবির হাতাহাতি

জেলা প্রতিনিধি, বরিশাল
প্রকাশিত: ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৪৪ পিএম

শেয়ার করুন:

বিএম কলেজে ছাত্রদল-শিবির হাতাহাতি

বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে কলেজ অধ্যক্ষের কার্যালয় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে শিবিরের নেতা-কর্মীদের ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

শিবির নেতারা অভিযোগ করে বলেন, গত ৪ আগস্ট বিএম কলেজের মুসলিম হল ও ডিগ্রি হলে তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় কয়েকজনকে মারধর করে হল ও ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন কক্ষে গিয়ে শিবিরের নেতাকর্মীদের খোঁজা এবং হলের কক্ষ দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। এসব বিষয়ে কলেজ প্রশাসনকে অবহিত করতে বৃহস্পতিবার ছাত্রশিবিরের কলেজ শাখার সভাপতি মো. নাহিদ আল হাসান ও সাধারণ সম্পাদকসহ নেতাকর্মীরা অধ্যক্ষের কার্যালয়ে যান। সেখানে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও হলের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা চলাকালে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কি হয়।

কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি নাহিদ আল হাসান বলেন, ছাত্রদলের কলেজ শাখার সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জুবায়ের অধ্যক্ষের কক্ষে প্রবেশ করে তাদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়ান। এ সময় কয়েকজন নেতাকর্মীকে ধাক্কা, কলার ধরে টেনে বের করে দেওয়া এবং মারধর করা হয়। ঘটনার সময় অধ্যক্ষসহ কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি। অধ্যক্ষের কক্ষ থেকে বের হয়ে নিচে আসার পরও আমাদেরকে হুমকি এবং ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা চলে। এক পর্যায়ে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রাখতে আমরা ক্যাম্পাস থেকে চলে আসি।

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএম কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. ওয়ালিদ বলেন, ধাক্কা বা মারধরের অভিযোগ সত্য নয়। বুধবার ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সাথে অশোভন আচরণ করে শিবিরের নেতা-কর্মীরা। এরপর আবার বৃহস্পতিবার অধ্যক্ষের কাছে গিয়ে ছাত্রদলের নামে নানা মিথ্যা অভিযোগ করতে শুরু করে তারা। এসময় সেখানে থাকা কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জুবায়ের প্রতিবাদ জানান। এই নিয়ে দু-পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। কোনো ধরনের হামলা কিংবা মারধরের ঘটনা ঘটেনি।

বিষয়টি সম্পর্কে কথা বলার জন্য বিএম কলেজের অধ্যক্ষ ড. শেখ মো. তাজুল ইসলামকে ফোন দেওয়া হলেও ধরেননি তিনি।

কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন ইসলাম বলেন, যতদূর জানি দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়েছে। এছাড়া কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর