রাস্তার মাঝখানে বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখে সড়ক নির্মাণ!

জেলা প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৩ আগস্ট ২০২২, ১২:১০ পিএম
রাস্তার মাঝখানে বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখে সড়ক নির্মাণ!
ছবি : ঢাকা মেইল

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রাস্তার মাঝখানে বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই নির্মিত হলো হেরিংবন বন্ড (এইচবিবি) সড়ক। এলাকাবাসী বলছে সড়কের মধ্যে বৈদ্যুতিক খুঁটি থাকায় চলাচলে প্রতিবন্ধকতাসহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

সম্প্রতি খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার শাহজাদপুর উপজেলার জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে-কাদাই বাদলা গ্রাম পর্যন্ত এক হাজার ৪০০ মিটার নতুন রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। তবে রাস্তাটির মুলকান্দি এলাকায় একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি রয়েছে। সেটি অপসারণ না করেই রাস্তাটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেছেন কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয়রা জানান, এক সময়ের পায়ে হাঁটার এ রাস্তাটি নতুন করে মাটি ফেলার পর হেরিংবন বন্ড (এইচবিবি) করা হচ্ছে। প্রায় ৮০ লাখ টাকার এ প্রকল্পটির কাজ এখনও চলছে। রাস্তাটি হলে তাদের অনেক উপকার হবে, তবে বৈদ্যুতিক খুঁটি মাঝখানে রেখেই রাস্তার হেরিংবন করা হয়েছে। এর ফলে এ রাস্তায় ভ্যানগাড়ি বা অন্যান্য যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে চলাচলে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা বেশি রয়েছে। তবে এ রাস্তাটি নির্মাণ হলে তিনটি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের দুর্ভোগ লাঘব হবে। 

জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ বলেন, এলাকার মানুষকে দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতেই রাস্তাটি নির্মাণ করা হচ্ছে। রাস্তাটি সম্পন্ন হলে এলাকাবাসী দারুণ উপকৃত হবে।

তিনি বলেন, মুলকান্দি এলাকায় রাস্তার কাজ শেষ হলেও তবে মাঝখানে বৈদ্যুতিক খুঁটি রয়েছে। রাস্তার মধ্যখানে এ খুঁটি থাকায় স্বাভাবিকভাবেই দুর্ঘটনার শঙ্কা রয়েছে। 

উপজেলা প্রকৌশলী আহম্মেদ রফিক বলেন, রাস্তাটি আগে ওইভাবে ব্যবহৃত না হওয়ায় বিষয়টি আমাদের নজরে আসেনি। পরে মাটি ভরাট থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ নতুন একটি সড়ক বানিয়ে এইচবিবি করা হয়েছে, যার কাজ এখনও চলমান রয়েছে।

দুই বছর আগে রাস্তাটির সার্ভে করা হয়েছিল জানিয়ে তিনি বলেন, এরপর প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়। রাস্তার পার্শ্ববর্তীরা পাশে জায়গা না দেওয়ায় মাঝখানে বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই রাস্তাটি নির্মাণ করার বিষয়টি আমি পরে জেনেছি।

তিনি আরও বলেন, আমি জানার পরেই খুঁটিটি অপসারণ করতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে খুঁটিটি সরিয়ে নিতে পল্লী বিদ্যুৎকে চিঠি দেওয়া হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

প্রতিনিধি/এইচই