যশোর সদর উপজেলার রাজারহাট পিকনিক কর্নার এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনা ও সরকারবিরোধী মিছিলের অভিযোগে সাবেক পৌর মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, সাবেক কাউন্সিলর হাজী সুমনসহ ১৩৩ জনের নাম উল্লেখ করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে পুলিশ।
রোববার কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফজলুল হক এই মামলা করেন। পুলিশ জানায়, মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শেখ তানভীর ইসলাম ইমন ওরফে ক্যাপ্টেন ইমন, ফারদিন দুর্জয়, ওহিদুল ইসলাম শেখ, রাকিবুল রহমান ওরফে বড় বাবু, আল আমিন ও সম্রাট হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
এছাড়া একই রাতে পৃথক একটি মামলায় বর্তমান ইউপি সদস্য মঈনুর রহমান, সাবেক ইউপি সদস্য নূরুল ইসলাম এবং সাবেক ইউপি সদস্য আকরাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ৩১ জুলাই রাতে রাজারহাট পিকনিক কর্নারের কাছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সরকারবিরোধী মিছিল এবং নাশকতার উদ্দেশ্যে জড়ো হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা পালিয়ে যান। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে ১৩৩ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক পৌর মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, সাবেক কাউন্সিলর হাজী সুমন, যুবলীগ নেতা সাইদুজ্জামান বাবু, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ আতিকুর বাবু, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফন্টু চাকলাদার, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল, একাধিক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান, বর্তমান ও সাবেক ইউপি সদস্য এবং আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান বলেন, নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তারদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিনিধি/এলএ




