শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় এক গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভোরে উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের আচুরা এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন আচুরা এলাকার মৃত আলমগীর ব্যাপারীর ছেলে রাব্বি ব্যাপারী (২৮), আব্দুল হাই খন্দকারের ছেলে হজরত আলী খন্দকার (৪২) এবং মালেক খন্দকারের ছেলে ইমন খন্দকার (২৬)।
ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে হজরত আলী খন্দকার ভুক্তভোগীর স্বামী রাজিব আহাম্মেদ খানকে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে যাওয়ার পর হজরত আলী খন্দকার, রাব্বি ব্যাপারী, ইমন খন্দকারসহ আরও তিন থেকে চারজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে বেঁধে রাখেন বলে অভিযোগ।
পরে ভুক্তভোগীকে ফোন করে ঘটনাস্থলে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে দুজন তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় তার স্বামীকে আটকে রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
খবর পেয়ে জরুরি সেবা নম্বরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠায়। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনকে আটক করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হজরত আলী খন্দকারের স্ত্রীর সঙ্গে ভুক্তভোগীর স্বামী রাজিব আহাম্মেদ খানের কথিত পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ঘটনাটি ঘটতে পারে।
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বলেন, “জরুরি সেবা নম্বরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুজন এবং সহযোগিতার অভিযোগে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার পেছনে ভুক্তভোগীর স্বামীর সঙ্গে অভিযুক্তের স্ত্রীর কথিত পরকীয়া সম্পর্কের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
প্রতিনিধি/এসএস




