ঢাকার দোহার উপজেলায় কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে কৃষকের আবাদী জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে ক্ষেতের ফসল নষ্ট হয়ে সবজির সরবরাহ কমে গেছে। এ কারণে দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুন হয়েছে প্রতিটি সবজির। দাম বাড়াতে সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে সবজি। নতুন করে সবজি রোপণ না করা পর্যন্ত দাম কমবে না বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তা।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) উপজেলার লটাখোলা, জয়পাড়া, পালামগঞ্জ, মেঘুলা ও কার্তিকপুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে সবজির সরবরাহ কম। যেগুলোর সরবরাহ আছে তার দাম দিগুণ। এক সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। বাজারে হাতেগোনা কয়েকটি সবজির মধ্যে করল্লা, বেগুন ,পটল, ধুন্দল, মরিচ, শাপলা ও পুঁই ও লাউ শাকের দেখা মেলে। তারপরও এগুলোর সরবরাহ স্বাভবিক নয়।
বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, পটল ১০০- ১২০ টাকা, কাঁচা মরিচ বেড়ে ৩০০ টাকা, ধুন্দল ৯০- ১০০ টাকা। কয়েক দিনের ব্যবধানে সবজি দ্বিগুণেরও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। প্রকারভেদে প্রতি আঁটি শাক বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে। আগে যেখানে ১০ টাকা থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হতো। দাম বৃদ্ধির ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষজনের তা ক্রয় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেকেই নিরুপায় হয়ে কম দামের সবজি হিসেবে শাপলা ও পেঁপের দিকে ঝুঁকছেন।

ক্রেতাদের তীব্র অভিযোগ, একদিকে লাগামহীন পণ্যের দাম, অন্যদিকে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে বৃষ্টিপাতের কারণে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষের কাজ বন্ধ থাকায় তাদের দুর্ভোগ বহুগুণ বেড়ে গেছে।
দোহার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়াজ মোহাম্মদ মিঠুন জানান, এ অঞ্চলের সবজির আবাদ নিচু জমিতে হয়ে থাকে। অতি বৃষ্টিতে জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে গেছে সবজির ক্ষেত। বাজারে নতুন সবজি উঠার পর কেটে যাবে এ সংকট।
প্রতিনিধি/টিবি




