শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

পাবনায় ব্যবসায়ীর হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ শ্রমিকদল নেতার বিরুদ্ধে

জেলা প্রতিনিধি, পাবনা
প্রকাশিত: ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:৪৫ পিএম

শেয়ার করুন:

পাবনায় ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে হাত-পা ভেঙে দিল শ্রমিকদল নেতা

পাবনার বেড়া উপজেলার এক ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন সরদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এসময় তার মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে বেড়া-সাঁথিয়া সড়কের সিঅ্যান্ডবি বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধরের এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। আহত মিজানুর রহমান বেড়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আলহাজ মো. মনজেল খানের ছেলে। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মিজানুর রহমান সিঅ্যান্ডবি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি মার্কেট নির্মাণ করছেন। এ নিয়ে রিপন সরদারসহ কয়েকজন তার কাছে বিভিন্ন সময়ে চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মোটরসাইকেলে এসে কয়েকজন তাকে তুলে নিয়ে যান এবং মারধর করেন। এ সময় তার হাতে থাকা প্রায় দেড় ভরি ওজনের দুটি সোনার আংটি ও নগদ ২০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

bfb69584-b640-4146-a2af-e39e13aacd47

পরিবারের সদস্যদের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর অভিযুক্ত রিপন সরদার, করমজা চতুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মরহমসহ কয়েকজন তাদের পরিবারের কাছে চাঁদা দাবি করেছিলেন। সে সময় সেনাবাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হলে অভিযুক্তদের কাছ থেকে একটি মুচলেকা নেওয়া হয়। মুচলেকায় ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর বর্তাবে বলে উল্লেখ ছিল। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও সম্প্রতি আবার চাঁদা দাবির ঘটনা শুরু হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।

a49e7450-dabd-42f9-9cbe-6912af722242

তবে চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাঁথিয়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন সরদার। তিনি বলেন, মিজানুর রহমান একসময় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার সঙ্গে পূর্ববিরোধের জেরে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে অন্যদেরও সম্পৃক্ততা ছিল বলে তিনি দাবি করেন।

সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, ঘটনাটি সাঁথিয়া ও বেড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘটেছে। বিষয়টি কোন থানার আওতাভুক্ত, তা নিশ্চিত হওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আহত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসা নেওয়ার পর থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।

প্রতিনিধি/এসএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর