গুচ্ছগ্রামের জমিলার কপালে জোটেনি বিধবা-বয়স্ক ভাতা কার্ড- শিরোনামে ঢাকামেইলে সংবাদ প্রকাশ হয়। এ সংবাদটি সংশ্লিষ্টদের নজরে পড়লে সমাজসেবা বিভাগ থেকে বিধবা ভাতার আওতাভুক্ত করা হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাদুল্লাপুর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের ইউনিয়ন সমাজকর্মী শাহ মো. নাজমুল হক।
ভাতা সুবিধাভোগী জমিলা বেওয়া (৬২) সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের তরফ কামাল গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুইযুগ আগে মারা গেছেন তার স্বামী জহির উদ্দিন। দুই মেয়ে থাকলেও নেই ছেলে সন্তান। ভূমিহীন জমিলার ঠাঁই হয়েছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে। এখান থেকে অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে কোনোমতে বেঁচে আছেন। একদম মানবেতর জীবনযাপন। এ পরিস্থিতিতে একটি বিধবা ভাতার কার্ডের জন্য জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন তিনি। অনেকে প্রতিশ্রুতি দিলেও কিন্ত একযুগেও কথা রাখেনি কেউ!
এরই মধ্যে জমিলা বেওয়াকে নিয়ে ঢাকামেইলে একটি সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয়। আর এই সংবাদটি অবগত হয়ে সংশ্লিষ্টরা তাকে বিধবা আওতাভুক্ত করেছেন।
এ বিষয়ে জমিলা বেওয়া বলেন, ‘হামি খুব গরীব মানুষ বাহে। মোর সোয়ামি মেলাদিন আগে মরছে। হামার জমি না থাকায় সরকারের ঘরোত থাকি, বাবা মানসের বাড়িত কামকাজ করে যা পাম সেগল্যা খায়্যা থাকোম। আজ তোমারগুলার জন্নে মুই ভাতা কাট পানু। মোক খুব খুশি নাগছে বাহে। অফিসারগুলাক আল্লায় ভালো রাথুক।’
এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের ইউনিয়ন সমাজকর্মী শাহ মো. নাজমুল হক বলেন, আমাদের কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র রায় ও অতিরিক্ত দায়িত্ব থাকা আজাদুল হক স্যারের নির্দেশে জমিলা বেওয়ার খোঁজ নেওয়া হয়। প্রকাশিত সংবাদের সত্যতা পাওয়ায় জমিলা বেওয়াকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ভাতাভূক্ত করা হয়।
প্রতিনিধি/এজে




